রাইডার্সপেন

দু’চাকার সনে দক্ষিণবঙ্গের পানে

গত আগস্টের শেষের দিকে দক্ষিণবঙ্গের উদ্দেশ্যে এই দু’চাকার সাইকেল ট্রিপে যাওয়ার কথা ছিল ৭/৮ জনের। কিন্তু যখন বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ যাত্রীবাহী লঞ্চ এমভি সুরভী-৯ এ উঠলাম তখন আবিষ্কার করলাম শেষ পর্যন্ত আমাদের সংখ্যাটা ৪ জন এ এসে ঠেকেছে। আমি, নিয়াজ ভাই, শান ভাই আর হিমেল ভাই।
সুরভী-৯ এ আমার প্রথম যাত্রা। আধুনিকতা ও চাকচিক্য দেখে ওটা লঞ্চ নাকি অন্য কিছু তা বুঝতে প্রথমে কষ্ট হচ্ছিল। ভালো করে বুঝে উঠার আগেই সাতসকালে পৌঁছে গেলাম বরিশাল। অতঃপর শুরু হল এমন একটি ট্রিপের ভুলেও ভাবিনি যে ট্রিপ শেষ হয়ে যাওয়ার পরেও এই ট্রিপের কথা প্রতিদিন একবারের জন্য হলেও স্মরণ করা হবে !

দক্ষিনবঙ্গে সাইকেল - রাইডার্সপেন

১ম দিনঃ লঞ্চ থেকে নেমে নাস্তা করে সোজা চলে গেলাম মাধবপাশা গ্রামের ঐতিহাসিক দুর্গাসাগর দীঘিতে। সেখানে কিছুক্ষণ সময় কাটানোর পর সাইকেল চালিয়ে গেলাম পরবর্তী গন্তব্যে। গুঠিয়ার অপূর্ব সুন্দর এক মসজিদ। যার নাম বায়তুল আমান জামে মসজিদ। গুঠিয়া মসজিদ নামেই যা অধিক পরিচিত। সুন্দর এই মসজিদটির শ খানেক ছবি তুলে ও মসজিদের সামনের পুকুরে হাত মুখ ধুয়ে ফ্রেশ হয়ে রওনা দিলাম আমাদের সেদিনের মূল গন্তব্য পিরোজপুরের স্বরুপকাঠির আটঘর, কুড়িয়ানার দিকে।
কুড়িয়ানা পৌঁছে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিয়ে স্বরুপকাঠির খালে খালে ঘোরার জন্য নৌকা ভাড়া করা হল। নৌকার মাঝির নাম বাদশা মিয়া। মধ্যবয়স পেরিয়ে যাওয়া এই মাঝির নৌকায় সওয়ার হয়ে অতঃপর শুরু হল স্বরুপকাঠির বিভিন্ন খালে খালে আমাদের অবাধ বিচরণ।

দক্ষিনবঙ্গে সাইকেল - রাইডার্সপেন

যত সময় যাচ্ছিল আমি ততই অবাক হচ্ছিলাম। এ যেন খালের রাজ্য ! খাল কত প্রকার ও কি কি তা জানতে হলে যেতে হবে স্বরুপকাঠি। ছোট-বড় শত শত, হাজার হাজার খাল পুরো অঞ্চল জুড়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। খালগুলোর পাড়ে শয়ে শয়ে পেয়ারা, আমড়া, কাঁঠাল, কামরাঙা ইত্যাদি ফলের বাগান। সেগুলো সংগ্রহ করে নৌকা বোঝাই করে মানুষ ছুটছে বিক্রির উদ্দেশ্যে। সেজন্যই স্বরুপকাঠির খালগুলোতে বিচরণের সময় চোখে পড়বে হরেক রকম ফল দিয়ে বোঝাই করা ছোট, বড় অজস্র নৌকার।
নৌকা নিয়ে এদিক সেদিক ঘোরাঘুরি করতে করতে ভিমরুলীর ভাসমান বাজারে পৌঁছতে বেশ খানিকটা দেরি হয়ে গেলো। বাজারের সময় ততক্ষণে শেষ। বেচা বিক্রি শেষে মাঝিরা নৌকা নিয়ে ততক্ষণে ফিরতি পথ ধরেছে।

আমরা আরো অগ্রসর হলাম। সময়ও তার আপন গতিতে অগ্রসর হতে লাগলো। সময় যত অগ্রসর হচ্ছিল আমাদের দুরন্তপনাও তত বেড়ে চলল। এই ছবি তোলায় ব্যস্ত থাকি তো ঐ নৌকা চালাই। অবশ্য আমরা নৌকা চালালে চড়কির মত নৌকা এক জায়গায় শুধু ঘুরতে থাকে !
কিছুক্ষণ পর নৌকা ছেড়ে শান ভাই আর হিমেল ভাই নেমে পড়ল খালে। কখনো তারা খালে সাঁতার কাটে আবার কখনো খাল ছেড়ে উঠে বাগানে গিয়ে পেয়ারা, আমড়া ইত্যাদি নিয়ে আসে, কখনো অ্যাকশন ক্যাম দিয়ে বিভিন্ন ভাবভঙ্গি করে ছবি তুলে, কখনো বা সাঁকো থেকে খালের পানিতে ‘ঝুঁপ’ করে লাফিয়ে পড়ে।

একটু পর লাইফ জ্যাকেট পড়ে নিয়াজ ভাইও নেমে গেলো খালে। নৌকায় রইলাম আমি আর মাঝি। সবার এরুপ কর্মকান্ড আর সহ্য করতে না পেরে ‘পানিভীতি’ কাটিয়ে অবশেষে লাইফ জ্যাকেট পরিহিত অবস্থায় আমারও অবস্থান হল সেই খালের জলে !

সকল দাপাদাপি, ঝাঁপাঝাঁপি, কাঁপাকাঁপি শেষে আবার আটঘরের পৌঁছতে পৌঁছতে দিনের আলো ফুরিয়ে এলো। বৌদির হোটেলে ভাত খেয়ে রাতে মাথা গোঁজার ঠাঁই হল বাজারের এক খাবারের হোটেলের মেঝেতে। হোটেলের এক কর্মচারীর সাথে নিয়াজ ভাইয়ের পূর্ব পরিচয় ছিল। তাদেরই সাথে ফ্লোরিং করে সেদিনের রাতটুকু পার করে দিতে হল। হোটেল ভর্তি হরেক রকমের মিষ্টি। কিন্তু রাতের বেলা সেগুলো আর চেখে দেখা হয়নাই। ক্লান্ত শ্রান্ত শরীর নিয়ে প্রত্যেকে ততক্ষণে ঘুমের রাজ্যে হারিয়ে গিয়েছে।

দক্ষিনবঙ্গে সাইকেল - রাইডার্সপেন

২য় দিনঃ কাকডাকা ভোরে খাবারের হোটেল খোলা হয়। তাই অনিচ্ছা সত্বেও ভোরের আলো ফুটে উঠার কিছু পরেই ঘুম থেকে উঠতে হল। ঘুম ঘুম চোখেই হাতমুখ ধুয়ে নাস্তা সেরে পরবর্তী গন্তব্যে যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিতে থাকি। আমাদের সেদিনের গন্তব্য ১০০ কিলোমিটার দূরের বরগুনার উপকূলবর্তী উপজেলা পাথরঘাটা।

হিমেল ভাই সাইকেল ছাড়াই ঢাকা থেকে এসেছে। তাই সে আর অগ্রসর না হয়ে সেদিনের রাতের ঢাকার লঞ্চ ধরতে বরিশাল ফিরে গেলো।

রইলাম বাকি ৩। আমি, নিয়াজ ভাই আর শান ভাই।

স্বরুপকাঠি থেকে ১৫/২০ কিলো চালানোর পর শান ভাইও আর এগোলনা। আগের রাতেই বাসা থেকে পারিবারিক কি একটা সমস্যার কারণে ফিরে যাওয়ার জন্য জরুরী ফোন এসেছিল। তারপর থেকে ট্রিপ শেষ না করে ফিরে যাবে কিনা এ নিয়ে সে কিছুটা দোটানায় ছিল। শেষ পর্যন্ত ঘরের ছেলে ঘরে ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলো।

রইলাম বাকি ২। আমি আর নিয়াজ ভাই।

এরপর কখনো ঝড়ের বেগে সাইকেল চালিয়ে আবার কখনো কচ্ছপের গতিতে ল্যাটাতে ল্যাটাতে ১০০ কিলোমিটার পথ পেরিয়ে সন্ধ্যা নাগাদ পৌঁছে গেলাম আমাদের সেদিনের গন্তব্য পাথরঘাটা উপজেলায়।
সেদিন থাকার সৌভাগ্য হলো পানি উন্নয়ন বোর্ডের ডাক বাংলোতে। বিশ্ববিদ্যালয়ের বন্ধু পাথরঘাটার ছেলে আরমানের সৌজন্যে। বন্ধু আরমান যে আতিথেয়তা দেখিয়েছে তার জন্য তার কাছে কৃতজ্ঞ থাকব।

৩য় দিনঃ আরাম পেয়েই কিনা সেদিন সকালে ঘুম থেকে উঠতে আমার বেশ দেরি হল। ততক্ষণে নিয়াজ ভাই আরমানকে নিয়ে পাথরঘাটার অন্যতম আকর্ষণ হরিণঘাটা নামক এক জায়গা দেখে আসলেন। সেই জায়গা দেখে এসে বাংলোতে ফিরে সে আবার ঘুমের কাছে নিজেকে সঁপে দিলো। আর আমি ঘুম থেকে উঠে আরমানের হোন্ডায় চেপে আশপাশটা ঘুরে দেখলাম। ঘুরে দেখলাম সেসকল এলাকা যেগুলো এখনো প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় ‘সিডর’ এর তান্ডবলীলার সাক্ষী হয়ে আছে।
সবকিছু শেষে পরবর্তী গন্তব্যে রওনা দিতে দিতে বিকেল প্রায় ৩ টা বেজে গেলো। অথচ সেদিন কিনা রওনা দেয়ার কথা ছিল সাত সকালে !

আরমানের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে বিষখালী নদী পাড়ি দেয়ার প্রয়াসে ট্রলারে উঠলাম। শান্ত, সুন্দর বিষখালী নদীর মাঝখানে যাওয়ার পর হঠাৎ করে কোথা থেকে যেন বিশাল বিশাল কয়েকটা ঢেউ এসে ট্রলারটিকে বেশ নাচিয়ে চলে গেলো। আমি নদীপথে অজস্রবার ভ্রমণ করেছি। কিন্তু একেবারে শান্ত, সৌম্য নদীতে আকস্মিক এত বিশাল ঢেউ কখনো দেখিনি। বিষখালী নদী পাড়ি দিয়ে বেশ কিছুক্ষণ সাইকেল চালানোর পর আবার ট্রলার যাত্রা। এবার সুবিশাল পায়রা নদী পাড়ি দেয়ার প্রয়াস।

ঘন্টাখানেক পায়রা নদী পাড়ি দেয়ার পর পৌঁছে গেলাম বরগুনার তালতলীতে। পায়রা নদী পাড়ি দেয়ার সময় মুগ্ধ চোখে দেখছিলাম নীল আকাশের ক্যানভাসে ভেসে বেড়ানো মেঘেদের দলের সাথে সূর্যের আলোর লুকোচুরি খেলা। এ যাত্রায় ট্রলার ভ্রমণ শেষে তালতলী থেকে গ্রাম্য মেঠোপথ ধরে আস্তে ধীরে প্যাডেল ঘোরাতে ঘোরাতে পৌঁছে গেলাম নিশানবাড়ি খেয়াঘাট নামের অদ্ভুত সুন্দর এক জায়গায়।

দক্ষিনবঙ্গে সাইকেল - রাইডার্সপেন

নিশানবাড়ি খেয়াঘাটের পরিবেশ দেখে আমি এর প্রেমে পড়ে গেলাম। খোলা প্রান্তরের মত বিশাল এক জায়গা। একপাশে বন, আরেকপাশে নদী। নদীর নামটা ভারি সুন্দর। আন্ধারমানিক। চাঁদনী রাতে এ নদীর পানি জ্বলজ্বল করত বলে অনেকেই ভাবতেন যে এই নদীতে মানিক রয়েছে। সে থেকেই নাকি এই নাম। আন্ধারমানিক নদী থেকে খানিক দূরেই বঙ্গোপসাগর। এরপর আন্ধারমানিক নদী পাড়ি দেয়ার প্রয়াসে আবার সেই ট্রলার যাত্রা। উদ্দেশ্য নদীর ওপাড়ে পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলা। ট্রিপের ৩য় দিন যত না সাইকেল চালিয়েছি তার চেয়ে বেশি পথ ট্রলারে করে নদী পাড়ি দিতে হয়েছে। ট্রলার যাত্রা শেষে আস্তে ধীরে সাইকেল চালাতে চালাতে সন্ধ্যার পর পৌছে গেলাম আমাদের সেদিনের সর্বশেষ গন্তব্যে।

সাগরকন্যা কুয়াকাটা।

বরগুনার পাথরঘাটা থেকে একেবারেই একটা অপ্রচলিত রুট ধরে গুগল ম্যাপ দেখে দেখে আমরা কুয়াকাটার দিকে এগিয়েছি। জানতাম না যে এই রুটে নদী পারাপারের কোন ব্যবস্থা আদৌ আছে কি নাই। জানতাম না যে এই রুটে চালানোর মত কোন রাস্তা আসলেই আছে কিনা! স্রেফ ঝোঁকের বশে আল্লাহর নাম নিয়ে এগিয়েছি। ভাগ্য সহায় ছিল। তাই অসাধারণ এই পথ ধরে এগুনোর সিদ্ধান্তটাই পরে ট্রিপের সেরা সিদ্ধান্ত বলে মনে হয়েছে। কুয়াকাটায় পৌঁছে সমুদ্র সৈকতে শুয়ে চাঁদ তারাদের সাথে ঘন্টাখানেকের গল্প হল। তারপর সামুদ্রিক মাছ দিয়ে উদরপূর্তি শেষে আশ্রয় মিলল সমুদ্র তীর থেকে কিছুটা দূরে এক সস্তা হোটেলে।

৪র্থ (শেষ দিন)ঃ ভোরবেলায় সূর্যাস্ত দেখার কথা থাকলেও বৃষ্টির কারণে আর বাইরে বের হওয়া হয়নি। পাততারি গুছিয়ে হোটেল থেকে একবারে চেকআউট করে বেরিয়ে পড়লাম। নাস্তা সেরে সমুদ্র তীরে চলে গেলাম। কুয়াকাটা থেকে আমাদের পশ্চিম থেকে পূর্ব অর্থাৎ ময়মনসিংহ এর হালুয়াঘাট পর্যন্ত ক্রসকান্ট্রি রাইড দেয়ার প্ল্যান ছিল। কিন্তু এই প্ল্যানের মূল হোতা শান ভাই আগেই বাড়ির পথ ধরায় আমরা ক্রসকান্ট্রি রাইড দেয়ার প্ল্যান বাদ দিই। ক্রসকান্ট্রির ঝামেলা আর নেই এই ভেবে আমরা সমুদ্র তীরে মনের সুখে ল্যাটাতে থাকি। ঘন্টা দুয়েক ল্যাটনো শেষে এরপর শুরু হয় আমাদের ফিরতি পথের যাত্রা।

‘মিষ্টিপাগল’ নিয়াজ ভাইয়ের হঠাৎ করে কলাপাড়ার বিখ্যাত জগার মিষ্টি খাওয়ার শখ জেগে উঠল। উনার সেই শখ মেটাতে আমরা চলে গেলাম জগার মিষ্টির স্বাদ আস্বাদনে। এমনিতেই দেরিতে রওনা দিয়েছিলাম তার উপর জগার মিষ্টি খেতে গিয়ে আরো দেরি হয়ে যায়। ঢাকাগামী লঞ্চ ধরার তাড়ায় তাই পটুয়াখালীর কলাপাড়া থেকে আমরা বরিশালগামী বাসে উঠি। সাইকেলের স্থান হয় বাসের ছাদে। গরুর গাড়ির মত হেলতে দুলতে বরিশাল শহরে বাস পৌঁছতে পৌঁছতে রাত ৮ টার বেশি বেজে যায়।

বাসস্ট্যান্ড থেকে ভয়ঙ্কর ট্রাফিক জ্যাম ঠেলে লঞ্চঘাটে পৌঁছে চোখ কপালে উঠে যায় ! সুরভী-৯ ততক্ষণে ঘাট ত্যাগ করেছে। টার্মিনাল থেকে সুরভী-৯ এর দূরত্ব মাত্র কয়েক হাত !

সুরভী-৯ আমাদের হৃদয় ভেঙ্গে দিয়ে চোখের সামনে দিয়ে চলে গেলো।

নিয়াজ ভাইয়ের প্রতি আমার তখন খুব রাগ ! মাত্র ২ টি মিষ্টি খাওয়ার জন্য আমরা লঞ্চ মিস করলাম। ঢাকাগামী সেদিনের আর কোন লঞ্চও নেই। একটু পর জানতে পারলাম যে আরো একটা লঞ্চ আসা বাকি আছে। এমভি পূবালী-১ নামের সেই লঞ্চটি সেদিন কোন এক কারণে তার শিডিউল টাইম থেকে ১ ঘন্টা ঘন্টা দেরি করেছিল। সেই লঞ্চ ঘাটে আসার পর আমরা সেটাতে করেই রওনা হই। অতঃপর পরের দিন সকালে সদরঘাটে পৌছাবার মাধ্যমে শেষ হয় অসাধারণ এক সাইকেল ট্রিপের।

দক্ষিনবঙ্গে দু’চাকার সাইকেল - রাইডার্সপেন

রুপসী বাংলার প্রতিটি বর্গ ইঞ্চিই সুন্দর। দক্ষিণবঙ্গ তথা বরিশাল বিভাগও এর ব্যতিক্রম নয়। এ অঞ্চলের প্রতিটি পরতে পরতে লুকিয়ে আছে অজানা এক সৌন্দর্য। একটু খোঁজার চেষ্টা করলেই এ সৌন্দর্যের সুধা পান করে আত্মাকে পরিতৃপ্ত করা সম্ভব।

এর আগে বরিশাল অঞ্চলে গেলেও এই ট্রিপের মাধ্যমেই তাকে নতুন করে চিনেছি, জেনেছি। এ অঞ্চলের সৌন্দর্যের প্রেমেও পড়েছি! সেই প্রেমের টানেই এই ট্রিপের পর সাইকেলকে সঙ্গী করে একাধিকবার সেখানে ছুটে গিয়েছি। সময় ও সুযোগ হলে ভবিষ্যতেও বারবার ছুটে যাবো ইনশাল্লাহ। এই অঞ্চলের আরো অনেক অজানা সৌন্দর্যের অমৃত সুধা পান করা যে এখনো বাকি রয়ে গিয়েছে।

ট্রিপ রুটঃ  ঢাকা – বরিশাল – স্বরুপকাঠি (পিরোজপুর) – পাথরঘাটা (বরগুনা) – কুয়াকাটা – বরিশাল – ঢাকা
সময়কালঃ ২৪-০৮-২০১৫ থেকে ২৭-০৮-২০১৫


# লিখেছেনঃ তানভীর মাহমুদ কনক
# ছবি কৃতজ্ঞতাঃ  লেখক

Leave a Comment